হেডলাইন
◈ একদিনে হাসপাতালে রেকর্ড ৪৩৮ ডেঙ্গু রোগী! ◈ আমার গ্রাম-আমার শহর’ বাস্তবায়নে ২৪৫ প্রকল্প ◈ সীমান্তের ঘটনায় আরাকান আর্মি-আরসার ওপর দায় চাপালো মিয়ানমার! ◈ ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে স্থায়ী নির্দেশনা চেয়ে রিট! ◈ সাংবাদিক শাকিল হাসানকে হত্যাচেষ্টার মামলায় রায় ১৮ অক্টোবর! ◈ যুবলীগের সম্পাদক নিখিলসহ ৫০০ জনের বিরুদ্ধে বিএনপির মামলার আবেদন! ◈ শহীদ আফ্রিদির সংস্থায় সেই ব্যাট দিলেন নাসিম শাহ ◈ হঠাৎ মোদি ও এরদোগানের বৈঠক ◈ সাগরে আবারও লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টি ◈ নতুন রুপে আবার অভিনয়ে নিয়মিত রত্না ◈ ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন টাইগার অলরাউন্ডার ◈ জাতীয় পার্টি কোনো জোটে নেই: জিএম কাদের ◈ রানির শোভাযাত্রায় ডায়ানার যে স্মৃতি মনে দাগ কেটেছে প্রিন্স উইলিয়ামের ◈ মৃত্যুর পরে কি হয় তাদের লাশ || ◈ শান্তর ভূয়সী প্রশংসায় যা বললেন শ্রীরাম ◈ রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে অঙ্গীকার করলেন জেলেনস্কি ◈ বিএনপি নেতা শাহ মোয়াজ্জেম আর নেই ◈ ফের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সাকিব ◈ রাশিয়া প্রথমবারের মতো ইরানের ড্রোন ব্যবহার করেছে ◈ ভারত সফরে বাংলাদেশ কী পেল, যা বললেন প্রধানমন্ত্রী
হোম / সারা বাংলা / বিস্তারিত

For Advertisement

প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভিনদেশীদের আনাগোনা!

২৮ জুলাই ২০২২, ১২:২৪:১৭

ভাষা-সংস্কৃতি, ধর্ম-বর্ণসহ নানা সংস্কার ও ভেদাভেদ ভুলে শুধু প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন অনেক বিদেশি তরুণী। ঘর ছেড়েছেন ভালোবাসার টানে। হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে উড়ে এসেছেন বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে। ভালোবাসার টানে ঘর ছাড়ার ঘটনা সমাজে অহরহ দেখা গেলেও দেশ ছাড়ার ঘটনা এই আধুনিক যুগেও কিছুটা বিরল। সাম্প্রতিক সময়ের এ রকম কিছু প্রেমের সফল পরিণতির ঘটনা নিয়েই আজকের  প্রতিবেদন-

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টু চাঁদপুর-

তরুণীর নাম জিইনাবচন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে প্রেমের টানে ছুটে এসেছেন চাঁদপুরে। এখানকার বাসিন্দা শাহাদাতের জন্যই নিজের দেশ ছাড়েন জিইনাবচন। শাহাদাতের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার ২ নম্বর আশিকাটি ইউনিয়নের রালদিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. কামাল উদ্দিন প্রধানিয়া। আশিকাটির রালদিয়া নিজ বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের উপস্থিতিতে আমেরিকার নাগরিক প্রেমিকা জনস জিইনাবচনের সঙ্গে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক এ বিয়ে সম্পন্ন হয়। এ সময় শাহাদাত হোসেন ও নববধূ জনস জিইনাবচন বলেন, আমাদের ভালোবাসা বহু বছরের। আমরা বিবাহবন্ধনে জড়িয়েছি। আমাদের আগামী দিনগুলো যেন সুখের হয়। এ জন্য আমাদের দোয়া করবেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠে স্বাভাবিকভাবেই। একই সঙ্গে তাদের এক নজর দেখার জন্য বিয়েবাড়িতে ভিড় জমান এলাকার বাসিন্দারা। বিষয়টি তাদের জন্য অতুতপূর্ব। শুধু প্রেমের টানে সুদূর আমেরিকা থেকে ছুটে আসা প্রেমিকা জিইনাবচন সত্যিই অনন্য নজির স্থাপন করেন।

রাশিয়া টু শেরপুর-

প্রেমের টানে শেরপুরে ছুটে আসেন রাশিয়ান এক তরুণী। প্রেমিকের নাম ধর্মকান্ত সরকার। রাশিয়ান ওই তরুণীর নাম সিভেতলেনা। ধর্মকান্ত সরকার শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সন্ন্যাসীভিটা গ্রামের ধীরেন্দ্র কান্ত সরকারের ছেলে। সনাতন ধর্ম মতে, যজ্ঞ সম্পাদন করে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করেন আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ-ইসকনের শেরপুর শাখার সদস্যরা। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন পরিবারের লোকজন, বন্ধু-বান্ধব ও ইসকন ভক্তসহ চার শতাধিক অতিথি। তাদের খাবারের তালিকায় ছিল পুষ্প অন্ন, ভুনা খিচুড়ি, সয়াবিনের রসাসহ ১৪ ধরনের নিরামিষ। ধর্মকান্ত সরকারের পরিবার ও ইসকন মন্দির সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে এইচএসসি পাসের পর উচ্চশিক্ষার জন্য ধর্মকান্ত সরকার চলে যান রাশিয়ায়। ভর্তি হন মস্কোর আছরাখান টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে। ধর্মকান্ত সরকার রাশিয়া থাকতেই তাদের মাঝে পরিচয়, অতঃপর প্রেম এবং পরিণয়।

মালয়েশিয়া টু চুয়াডাঙ্গা-

প্রেম মানে না বয়স। কথাটা সত্যি প্রমাণ করে দিয়ে প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে আসেন মালয়েশিয়ান ইসহারি নামের চল্লিশোর্ধ এক নারী।

তিনি বাংলাদেশে এসে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের বাড়িতে ওঠেন। এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

জানাজানি হলে এলাকাবাসী ওই মালয়েশিয়ান নারীকে দেখতে জহুরুলের বাড়িতে ভিড় করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার বছরখানেক আগে তারা বিয়ে করেন।

প্রেমের টানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টু গাজীপুর-

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়। একবছর ধরে মন দেওয়া-নেওয়ার পর সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে উড়ে এসে বিয়ে করলেন প্রেমিকাকে।মার্কিন ওই যুবকের নাম রাইয়ান কফম্যান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মিশৌরি স্টেটের ক্যানসাস সিটির বাসিন্দা। আর প্রেমিকা গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার ভোগড়া মধ্যপাড়া এলাকার মোশারফ হোসেনের নাতনি ও মৃত সিকান্দার আলীর মেয়ে সাইদা ইসলাম (২৬)।

রাইয়ান যুক্তরাষ্ট্রে নিজ এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অপারেটর পদে কাজ করেন। পড়াশোনা করেছেন মাধ্যমিক স্কুল পর্যন্ত। তার মা-বাবা ছাড়াও এক বড় ভাই রয়েছেন। তারা সেখানে প্রত্যেকেই আলাদাভাবে বসবাস করেন।২০২১ সালের এপ্রিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রথম পরিচয় রাইয়ান কফম্যানের সঙ্গে। তারা নিজেদের ফোন নম্বর ও ঠিকানা বিনিময় করেন। এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ হতো তাদের মধ্যে। ফেসবুক ও ফোন নম্বরে ভিডিও কলে কথা বলতে বলতে নিজেরা আরও ঘনিষ্ঠ হন। এভাবে দুজন দুজনকে ভালোবেসে ফেলেন। প্রায় একবছর তারা ফেসবুকেই চুটিয়ে প্রেম করেন। শেষে দুজন সিদ্ধান্ত নেন বিয়ে করার। রাইয়ান বিয়ে করার জন্য তার দেশেই খৃষ্টধর্ম ত্যাগ করে যথা নিয়মে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে তার ও সাইদার পরিবারের সম্মতিতে এ বছরের ২৯ মে বাংলাদেশে পৌঁছান তিনি। এদিনই দুইজনের সরাসরি প্রথম দেখা হয়। তারপর সেখান থেকে সাইদার সঙ্গে সোজা গাজীপুরে নানার বাড়িতেই ওঠেন রাইয়ান। পরে সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন তারা।

প্রেমের টানে জার্মান টু বরিশাল চরবাড়িয়া-

প্রেমের টানে সুদূর জার্মানি থেকে বাংলাদেশে এসেছেন এক তরুণী। ধর্মত্যাগ করে বিয়ে করেছেন মনের মানুষকে। ওই তরুণীর নাম আলিসা থেওডোরা পিত্তা।আর যার জন্য তিনি সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে এসেছেন, তিনি হলেন বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের রাকিব হোসেন শুভ।শুক্রবার বিকালে নববধূকে নিয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন শুভ। শনিবার সকালে হেলিকপ্টারে বরিশালে যান। বিদেশি বধূ নিয়ে আসার খবর পেয়ে দলবেঁধে তাদের দেখতে এসেছেন গ্রামবাসী। পরে নববধূকে ফুল দিয়ে বরণ করেন শুভর স্বজনরা।

জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে জার্মানির তরুণী আলিসাকে বিয়ে করেন শুভ। তবে সেখানে বিয়ের অনুষ্ঠান করা হয়নি। এ জন্য বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গ্রামের বাড়িতে এসেছেন। সেখানে বৌভাত ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন তারা।

শুভ বরিশালের চরবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলামের ছেলে। রেলওয়ে ডিপ্লোমা পাস করে ২০১১ সালে জার্মানিতে পাড়ি জমান তিনি। সেখানে সিটি রেলওয়ে সার্ভিসের সুপারভাইজার হিসেবে কাজ নেন। একপর্যায়ে স্থানীয় বেইলি ফিল্ড ডায়ালন্ড্রোভ এলাকার বাসিন্দা আলিসা থেওডোরা পিত্তার সঙ্গে পরিচয় হয়। আলিসা পেশায় নার্স। তার বাবা ও মা সেখানে চাকরিজীবী।

তুরস্ক টু ময়মনসিংহ-

সুদূর তুরস্ক থেকে প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেছেন এক প্রেমিকা। তার নাম আয়শা ওজতেকিন। বাংলাদেশের হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এই তুর্কি তরুণী। হুমায়ুনের বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা পৌর শহরের লক্ষ্মীখলা এলাকায়।বাবা সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাসান আলী ও মা হোসনে আরা বিউটি। হুমায়ুন কবির গণমাধ্যমকে বলেন, আমি ২০১০ সালে ক্যাডেট কলেজ থেকে সরকারের স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করতে তুরস্কে যাই। সেখানে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চাকরির সুবাদে ২০১৮ সালে আয়শার সঙ্গে পরিচয় হয়। সেখান থেকেই মূলত আমাদের দুজনের মাঝে ভালোবাসার সম্পর্কের শুরু।আয়শা ওজতেকিনের বাবা মাহমুদ নামিক ওজতেকিন ও মা সেভদা ওজতেকিন। আয়শা গণমাধ্যমকে বলেন, আমার বাবা প্রথমে রাজি ছিলেন না এ সম্পর্কে। কিন্তু পরে সবাই বিয়েতে সম্মতি দেন। ও আমার অনেক কেয়ার করে। তার গুণ বলে শেষ করা যাবে না।

মেক্সিকো টু ঢাকা-

ভাষা-সংস্কৃতি, ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে প্রেমের টানে অনেক ঘটনাই ঘটিয়েছেন প্রেমিক-প্রেমিকারা। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশের রবিউল হাসানের জীবনে। তার জন্য সুদূর মেক্সিকো থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন তরুণী। তার নাম গ্লাডির্স নাইলি ট্রোরেবিয়ো মোরালিয়াস’। ২০১৯ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশি ছেলে রবিউল হাসান রোমনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্কের টানে মেক্সিকোর ওই তরুণী বাংলাদেশে চলে আসেন। রোমন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের চর পোগলদিঘা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। সমাজে ভালোবাসার টানে ঘর ছাড়ার ঘটনা অহরহ ঘটলেও প্রেমের টানে দেশ ছাড়ার ঘটনা এ যুগে বিরল। রবিবার সকালে মেক্সিকো থেকে বাংলাদেশের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন নাইলি। পরে রোমনের পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে আদালতে তাদের বিয়ে হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মেক্সিকোর এক খ্রিস্টান পরিবারে জন্ম হয় নাইলির। মেক্সিকো ইউনিভার্সিটি থেকে সাইনোক্লোজি বিষয়ের ওপর পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে ফুড ব্যবসায়ী হিসেবে বিজনেস করেন। তার পিতা একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।২০১৯ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোমনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। প্রেমের টানে সবকিছু ছেড়ে তিনি চলে আসেন বাংলাদেশে। পরে তিনি শরিয়ত মোতাবেক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ঢাকা জজ কোর্টের মাধ্যমে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী ১ লাখ টাকার কাবিনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কাজ শেষে পরিবারের লোকজন তাকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন। এতে তার পরিবারের সবাই বেশ খুশি।

যুক্তরাষ্ট্র টু ঝিনাইদহে-

 ভালোবাসার টানে বাংলাদেশের ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার রাখালগাছী গ্রামে মিঠুন বিশ্বাসের বাড়িতে ছুটে আসেন মার্কিন তরুণী এলিজাবেথ এসলিক। বাংলাদেশ আর যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক দূরত্ব ঘুচিয়ে, প্রেমের সাগরে ডুবে যুগলবন্দী হন তারা। এলিজাবেথের বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ওরিয়েন্ট এলাকায়। ‘জঙ্গি ও সন্ত্রাসী আছে, এমন ভয় ছিল। এসে দেখি নেই। বাংলাদেশ ভালো, বিশ্বের যে কোনো দেশের মানুষের চেয়ে আতিথেয়তায় সেরা। ভালোবাসার টানে নিজের মাতৃভূমি ছেড়েছি। ’ গণমাধ্যমে এসব কথা বলেন প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া ভালোবাসার মানুষের কাছে ছুটে আসা এলিজাবেথ এসলিক। খ্রিস্টান ধর্মের বিধান অনুযায়ী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এলিজাবেথ ও মিঠুন। এলিজাবেথ গণমাধ্যমে আরও বলেন, ‘সত্য ভালোবাসা সীমানা মানে না। মানে না জাত, ধর্ম, বর্ণ। ভালোবাসার জন্য মরণও আনন্দের। প্রেম মানুষকে মহান করে তোলে। সত্যিকারের মানুষ হতে শিক্ষা দেয়। ’ ওয়াশিংটনে থাকেন এলিজাবেথের বাবা রয় এসলিক ও মা সনিয়া এসলিক। পরিবারে আরও দুই ভাই আছে। ২০১৫ সালের মে মাসে ফেসবুকের মাধ্যমে মিঠুন ও এলিজাবেথের পরিচয় হয়।

অস্ট্রেলিয়ার টু মাগুরা –

অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুবাদে বাংলাদেশি কাজী মারুফুজ্জামান চন্দনের সঙ্গে অস্ট্রেলীয় নারী ক্যাথরিনার পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে প্রেম এবং প্রেমের টানেই সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে মাগুরায় এসে সংসার পাতেন ক্যাথরিনা নামের এই নারী। মাগুরা শহরের কাজী মারুফুজ্জামান চন্দনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই নারী।

বিয়ের সময় মেলবোর্নের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। পারিবারিকভাবে সবাই তাকে ক্যাথি বলেই ডাকেন। আনন্দঘন পরিবেশে তারা বধূবরণ অনুষ্ঠান করেন। ক্যাথরিনা বলেন, ‘এ দেশে এসে আমি খুব খুশি হয়েছি। ’

মালয়েশিয়ার টু ব্রাহ্মণবাড়িয়া-

ভালোবাসার জন্য মালয়েশিয়ার মেয়ে ফাতেমা বিনতে আবদুর রহমান বাংলাদেশে আসেন। আশিকুর রহমান আশিকের সঙ্গে মালয়েশিয়ান তরুণী ফাতেমা হাজির হন ঢাকা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট মাহবুব হাসান রানার চেম্বারে বিয়ের উদ্দেশ্যে।ফাতেমাকে দেখে উপস্থিত অনেকে প্রথমে মনে করেছিলেন তিনি হয়তো আদিবাসী সম্প্রদায়ের মেয়ে।

আশিকের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার মন্দিবাগে। ফাতেমাকে সেখানেও নিয়ে যান আশিক। বিয়ের সময় ফাতেমা কুয়ালালামপুরের একটি কলেজের ছাত্রী ছিলেন।।

ভিয়েতনাম টু চাঁদপুর-

প্রেমের টানে বাংলাদেশে আসেন ভিয়েতনামি তরুণী। প্রেমিক চাঁদপুরের যুবক আলমগীর। ভিয়েতনামি এই কন্যা বাংলাদেশি যুবক আলমগীরকে ভালোবেসে এ দেশে সংসার পাতেন। ভালোবাসার সূচনা হয়েছিল মালয়েশিয়ায়। আর এর বাস্তবে পরিণতি ঘটে বাংলাদেশের মাটিতে।

মানুষের বিড়ম্বনা এড়াতে দীর্ঘদিন থাকেন তারা লোকচক্ষুর আড়ালে। পরবর্তীতে নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়ে এই দম্পতি নিজেদের এলাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার পৌর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লদেরবাড়ির মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন ১৩ বছর আগে জীবিকার প্রয়োজনে মালয়েশিয়ার জোহরবারুতে পাড়ি জমান। সেখানে এক চাইনিজ কোম্পানিতে চাকরি করেন। ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে বাকান থানার ওয়েন তোং মহল্লায় টিউ থিতুর জন্ম। সেখানে বাবা মৃত চি ইউ তাই আর মা টিউ থিতু নিয়াত এবং চার ভাই, তিন বোনের মাঝে থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা শেষ করেন তিনি।

পোল্যান্ড টু রাজারবাগ ঢাকা-

ক্যাটরিনা স্যান্ড্রা পোল্যান্ডের অধিবাসী। চাকরির সুবাদে থাকেন লন্ডনে। বাবা মারা গেছেন। মা থাকেন পোল্যান্ডে। তার সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় বাংলাদেশ থেকে লন্ডনে পড়তে আসা শামীম আহম্মদের সঙ্গে। তার পৈতৃক বাড়ি রাজারবাগে। বাবা সরকারি চাকরিজীবী। শামীম লন্ডনে পড়াশোনা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে থাকা অবস্থাতেই ফেসবুকে পরিচয় হয় ক্যাটরিনার সঙ্গে। তারা শুধুই বন্ধু। তখনো কেউ কাউকেই দেখেননি। এদিকে শামীমের জন্য লন্ডনে এভাবে লুকিয়ে থাকা বিনা চাকরিতে আর সম্ভব হচ্ছিল না। তাই তিনি দেশে ফেরার জন্য ওখানকার পুলিশের কাছে ধরা দেন। এরপর ক্যাটরিনার চেষ্টায় শামীমকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কথা ছিল ক্যাটরিনা বাংলাদেশে আসবেন। কিন্তু তখন না আসায় সবাই ভেবেছিল ক্যাটরিনা আর আসবেন না। পরবর্তীতে বাংলাদেশে চলে আসেন তিনি। শামীমের সঙ্গে ক্যাটরিনা স্যান্ড্রার বিয়ে হয় মুসলিম রীতিতে।

ব্রাজিল টু রাজবাড়ী –

ব্রাজিল কন্যা জেইসা ওলিভেরিয়া সিলভার সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় অতঃপর প্রেম হয় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সঞ্জয়ের। ভালোবাসার টানে সিলভা ব্রাজিল থেকে চলে আসেন প্রেমিকের বাড়িতে। এর আগে প্রায় দেড় বছর ধরে ফেসবুকে চলত তাদের যোগাযোগ। বাংলাদেশে আসার পর বিমানবন্দর থেকে সঞ্জয় তাকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। এ খবর এলাকায় জানাজানি হলে ব্রাজিলিয়ান তরুণীকে এক নজর দেখার জন্য নারী-পুরুষসহ অনেকে ভিড় জমান।

সিলভা ব্রাজিলের সাও পাওলোর বাসিন্দা। তিনি সেখানে সরকারি চাকরি করেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে সঞ্জয় ঘোষ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বাজার এলাকার বালাই ঘোষের ছেলে। সঞ্জয় শ্যামলী পরিবহনের ঢাকা-কলকাতা সার্ভিসে কর্মরত বলে জানা যায়।

আসাম টু ফেনী-

প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এলেন ভারতীয় তরুণী অঙ্কিতা। গত ৫ মে দেশটির আসাম রাজ্য থেকে নানা বাড়ি ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কাশিমপুর গ্রামে বেড়াতে আসতেন তিনি। এরপর ৭ মে প্রেমিককে নিয়ে পালিয়ে যায় অঙ্কিতা। পরে ১২ মে প্রেমিক হৃদয় মজুমদারকে বিয়ে করেন তিনি।

অঙ্কিতা আসামের দিব্রুগর এলাকার অভিজাত মজুমদার ও রুমা মজুমদারের সন্তান। হৃদয় কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বাসিন্দা। এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় অঙ্কিতার পরিবার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত ২৩ মে রাজধানীর উত্তরা থেকে অঙ্কিতাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রেমের টানে কোরিয়া থেকে উড়ে এলেন কিংকং-

এবার প্রেমের টানে কোরিয়ান নাগরিক কিংকং- বাংলাদেশে ছুটে আসেন। আমেনা খাতুনের পরিচয় করোনাকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। দুই বছর ভাব বিনিময়ের পর বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন এই যুগল।

মালয়েশিয়া টু টাঙ্গাইল-

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়। ছয় মাস ধরে কথা বলতে বলতে প্রেম। সেই প্রেমের টানে এক তরুণীর এক মাস ধরে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা। অবশেষে এক মাসের ভ্রমণ ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে চলে আসেন সেই তরুণী।টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কলেজপড়ুয়া মনিরুল ইসলাম ভালোবাসার মানুষটিকে স্বাগত জানাতে মা-বাবা ও বোনদের নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হাজির হন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। আজ শুক্রবার ভোরে মালয়েশিয়ার বিমানটি অবতরণ করে। পরে বেলা ১১টার দিকে সবাই মিলে সখীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজ মোড়ের বাসায় পৌঁছান তাঁরা।

ওই তরুণীর নাম জুলিজা (২২)। বাবার নাম কামিস। ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে জুলিজা জানান, তিনি পড়াশোনা শেষ করে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাবার বেকারির ব্যবসা পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, ‘মনিরুলের কাছে এ দেশের প্রকৃতি সম্পর্কে জেনেছেন। বাংলাদেশ ও মনিরুলকে দারুণ পছন্দ হয়েছে। আমি খুব খুশি।’মনিরুলের বাবা ইমান আলী মোটর মেকানিক। ইমান আলী জানান, আজ শুক্রবার রাতে ছেলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই মেয়ের বিয়ে দেওয়া হবে। মনিরুলের মা মনোয়ারা বেগমও জুলিজাকে পেয়ে খুশি।

মনিরুল ২০১৫ সালে স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করে বাড়ির পাশের কলেজে ভর্তি হন। ২০১৮ সালে মানবিক বিভাগ থেকে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা। মনিরুল বলেন, জুলিজা তাঁকে মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাবে বলে কথা দিয়েছে।

এদিকে মালয়েশিয়া থেকে প্রেমের টানে তরুণী চলে আসার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আজ দিনভর মনিরুলের বাড়িতে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসছে।

সখীপুরে বিয়ে নিবন্ধনকারী (কাজি) শফিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। আজ কাবিন হবে বলে ছেলের পরিবার তাঁকে জানিয়েছে। ছেলেমেয়ের বয়স ঠিক থাকলে ও দুই পক্ষের সম্মতি নিয়ে বিধি মোতাবেক বিয়ে নিবন্ধন করা হবে।

ইন্দোনেশিয়া টু লক্ষ্মীপুর-

ফেসবুকে পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, প্রেম। আর সেই প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে ছুটে এসেছেন এক ইন্দোনেশিয়ান তরুণী। তার নাম ফানিয়া আইঅপ্রেনিয়া।

সোমবার (৭ মার্চ) বিকেলে ইন্দোনেশিয়া থেকে একটি ফ্লাইটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন তিনি। সেখান থেকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার রাখালিয়া গ্রামে প্রেমিক রাসেল আহমেদের বাড়িতে। এ ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আশেপাশের মানুষ ভীড় করছে বিদেশিনিকে দেখার জন্য।মঙ্গলবার (৮ মার্চ) সকালে রায়পুরের রাখালিয়া গ্রামে রাসেল আহমেদের বাড়ি গিয়ে দেখা যায় রাসেলের পরিবারের সঙ্গে গল্প করছেন ফানিয়া।ফানিয়া ইন্দোনেশিয়ার দিপক এলাকার পাউদি হেলমি ও ফিসুনয়াদি ইসনা ওয়াপি দম্পতির মেয়ে। তিনি সেখানে একটি কল সেন্টারে চাকরি করেন। রাসেল আহমেদ রায়পুর উপজেলার রাখালিয়া গ্রামের মো. মনির হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী।

জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে ফানিয়ার সঙ্গে রাসেলের পরিচয়, বন্ধুত্ব ও ঘনিষ্ঠতা। এক পর্যায়ে তা অদেখার দূরত্ব ঘুচিয়ে প্রেমের সম্পর্কে গড়ায়।

রাসেল জানান, তাদের চার বছরের প্রেমের সম্পর্ক। ফানিয়া বিয়ের জন্য সূদূর ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। স্ত্রীকে নিয়ে বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের ইচ্ছা তার, তবে আপাতত নয়। দুই মাসের ছুটি নিয়ে এসেছেন ফানিয়া। ছুটি শেষে চলে যেতে হবে আবার ইন্দোনেশিয়ায়। তবে এক সময় ফানিয়াকে নিয়ে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে বসবাস করতে চান তিনি। ফানিয়াও বাংলাদেশে থাকার ব্যাপারে আগ্রহী।

ফানিয়া জানান, রাসেলের প্রতি গভীর ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি তার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চান। বিষয়টি তিনি তার মা-বাবকে জানিয়েছেন। তিনি এদেশের মানুষের আতিথেয়তা ও ভালোবাসায় মুগ্ধ। ফানিয়া বাংলা জানেন। তবে বলতে পারেন না। বাংলা শেখার চেষ্টা করছেন বলে জানান।

রাসেল আহমেদের মা বিলকিস বেগম জানান, এখানে আসার পর থেকে পরিবারের সবার সঙ্গে খুব মিশে গেছে ফানিয়া। সবাইকে আপন করে নিয়েছেন।

ইতালী টু ঠাকুরগাঁও-

প্রেমের টানে বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁওয়ে আসলেন এক ইতালিয়ান যুবক। জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার অজোপাড়াগাঁ চাড়োলের খোকোবাড়ি গ্রামের মারকুস দাসের মেয়ে রত্না রানী দাসের মেয়ের প্রেমে পড়ে ছুটে আসেন ইতালিয়ান নাগরিক আলী সান্দ্র্রে চিয়ারোমিন্ডে। গত 26 জুলাই ২০২২ সোমবার রাতে সনাতন ধর্মের রীতি অনুযায়ী দুজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

মালয়েশিয়া টু গাজীপুর-

মাসখানেক আগে আমেরিকা থেকে এক যুবক গাজীপুরের ভোগড়ায় এক যুবতীর প্রেমের টানে ছুটে এসেছেন। ঈদের পর প্রেমের টানে আরেক আমেরিকান যুবতী এসেছেন গাজীপুরের বর্মীতে। দুজনেই বিয়ে করে সংসার পেতেছেন আনন্দে উৎসবে। এবার মালয়েশিয়ান এক যুবতী গাজীপুর সিটির জোলারপাড় এলাকার যুবকের প্রেমের টানে এসেছেন এখানে। এসে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছে। মসজিদে অনুষ্ঠিত এই বিয়েতে হাজির হয়ে গ্রামবাসী আনন্দ উল্লাস করেছেন। গোটা এলাকায় তাদের নিয়ে যেন চলছে উৎসবের আমেজ। মালয়েশিয়ার কামপুং কেলেওয়াক এলাকার বাসিন্দা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরে নুরকারমিলা বিনতে হামিদ পাঁচ দিন আগে গত ১৮ জুলাই প্রেমের টানে ছুটে এসেছেন প্রেমিক গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে। এখানে এসে মুগ্ধ তিনি। জাহাঙ্গীর মালয়েশিয়া থাকার সুবাদে তার প্রেমে পড়ে। নুরকারমিলার মতে, বাঙালি ছেলে জাহাঙ্গীর খুব ভালো, সৎ ও দায়িত্বশীল। একজন অপরজনকে গভীরভাবে চিনেছেন, জেনেছেন। তাই শুধু সবচেয়ে ভালো বন্ধু না ভেবে, জীবন সঙ্গী করতে এখানে ছুটে এসেছেন।

উল্লেখ্য যে- এবছরের  জুলাই মাসেই বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রেমের টানে ছুটে এসেছেন কমপক্ষে আটজন পুরুষ ও মহিলা!!

For Advertisement

পূর্বাকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: