হেডলাইন
◈ একদিনে হাসপাতালে রেকর্ড ৪৩৮ ডেঙ্গু রোগী! ◈ আমার গ্রাম-আমার শহর’ বাস্তবায়নে ২৪৫ প্রকল্প ◈ সীমান্তের ঘটনায় আরাকান আর্মি-আরসার ওপর দায় চাপালো মিয়ানমার! ◈ ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে স্থায়ী নির্দেশনা চেয়ে রিট! ◈ সাংবাদিক শাকিল হাসানকে হত্যাচেষ্টার মামলায় রায় ১৮ অক্টোবর! ◈ যুবলীগের সম্পাদক নিখিলসহ ৫০০ জনের বিরুদ্ধে বিএনপির মামলার আবেদন! ◈ শহীদ আফ্রিদির সংস্থায় সেই ব্যাট দিলেন নাসিম শাহ ◈ হঠাৎ মোদি ও এরদোগানের বৈঠক ◈ সাগরে আবারও লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টি ◈ নতুন রুপে আবার অভিনয়ে নিয়মিত রত্না ◈ ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন টাইগার অলরাউন্ডার ◈ জাতীয় পার্টি কোনো জোটে নেই: জিএম কাদের ◈ রানির শোভাযাত্রায় ডায়ানার যে স্মৃতি মনে দাগ কেটেছে প্রিন্স উইলিয়ামের ◈ মৃত্যুর পরে কি হয় তাদের লাশ || ◈ শান্তর ভূয়সী প্রশংসায় যা বললেন শ্রীরাম ◈ রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে অঙ্গীকার করলেন জেলেনস্কি ◈ বিএনপি নেতা শাহ মোয়াজ্জেম আর নেই ◈ ফের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সাকিব ◈ রাশিয়া প্রথমবারের মতো ইরানের ড্রোন ব্যবহার করেছে ◈ ভারত সফরে বাংলাদেশ কী পেল, যা বললেন প্রধানমন্ত্রী
হোম / প্রধান সংবাদ / বিস্তারিত

For Advertisement

সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ গুনতে খরচ পৌনে ১৬শ কোটি টাকা!

২৭ জুলাই ২০২২, ৯:০৭:১৪

দেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ এবং নারী ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন। বহুল প্রতীক্ষিত জনশুমারি ও গৃহগণনায় এ ফল মিলেছে। আর দেশের সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ গুনতে খরচ হয়েছে এক হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা।দেশের প্রথম ডিজিটাল এ জনশুমারিতে তথ্য সংগ্রহের জন্য তিন লাখ ৯৫ হাজার ট্যাব কেনা হয়। এতে ব্যয় হয়েছে ৪৪৭ কোটি ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৭০ টাকা। এছাড়া প্রায় ৪ লাখ গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের সম্মানি বাবদ ৪৫৭ কোটি টাকা খরচ হয়। এসব টাকা বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সূত্রে জানা গেছে, আইন অনুযায়ী প্রতি ১০ বছর পরপর দেশের প্রতিটি মানুষকে গণনার আওতায় আনা হয়। এজন্য ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অনুমোদন করা হয়। শুরুতে এ প্রকল্পের খরচ ধরা হয় এক হাজার ৭৬১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এরমধ্যে বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১৮৩ কোটি ১১ লাখ টাকা খরচ করা হচ্ছে। পরে প্রকল্পের সংশোধনীতে ব্যয় কিছুটা কমে দাঁড়ায় এক হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা।বুধবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরা হয়। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় বিবিএসের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদনবিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন জানান, স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা করা হয়।

পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ‘আদমশুমারি’-কে ‘জনশুমারি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ১০ বছর পর্যাবৃত্তি অনুসরণ করে ষষ্ঠ ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ করা হয়। গত ১৫ থেকে ২১ জুন দেশব্যাপী এ শুমারি পরিচালিত হয়।

প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারিতে ডিজিটাল ডিভাইস ট্যাবলেট ব্যবহার করে কম্পিউটার অ্যাসিটেড পার্সনাল ইন্টারভিউইং পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সহজে ও সুনির্দিষ্টভাবে শুমারির গণনা এলাকা চিহ্নিত করা হয়। কোনো খানা (হোল্ডিং) গণনা থেকে বাদ না পড়া বা একাধিকবার গণনা না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতের লক্ষ্যে জিও গ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম সমন্বয় করে ডিজিটাল ম্যাপ প্রস্তুত ও শুমারিতে ব্যবহার করা হয়েছে।ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে গণনাকারীরা নির্ধারিত এলাকার প্রতিটি বাসগৃহ, খানা ও ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করেছেন। ডিজিটাল এ শুমারি বাস্তবায়নে সারাদেশে একযোগে তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ট্যাব। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত ট্যাবসমূহ মোবাইল ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

এছাড়া মাঠপর্যায় থেকে সংগৃহীত তথ্য সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে গাজীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে স্থাপিত বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের (বিডিসিসিএল) সমৃদ্ধ ডাটা সেন্টার ব্যবহার করা হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ের তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম রিয়েল টাইম মনিটরিংয়ের পাশাপাশি তথ্যের গতিবিধি সরাসরি পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে নেটওয়ার্ক অপারেশনস সেন্টার স্থাপন করা হয়েছিল, যা তথ্যের গুণগত মান নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

সার্বিকভাবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ফলে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সহজতর হয়েছে। স্বল্পসময়ে তথা মূল শুমারি সম্পাদনের মাত্র একমাসের মধ্যে শুমারির প্রতিবেদন প্রকাশও সম্ভব হয়েছে। এটি বিবিএসের সফলতা ও সক্ষমতার প্রমাণ।

For Advertisement

পূর্বাকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: