ADS
হেডলাইন
◈ সিয়াম-পূজার ‘শান’ এবার প্যারিসে ◈ দোনবাসে ৪০ শহরে গোলাবর্ষণ করেছে রাশিয়া ◈ বান্দরবানে পর্যটকবাহী গাড়ি খাদে পড়ে নিহত ১, আহত ৮ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে গুলি, ১৯ শিক্ষার্থীসহ নিহত ২১ ◈ ইউক্রেনকে ৫৩৫ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ◈ মেক্সিকোতে বার-হোটেলে বন্দুক হামলায় নিহত ১১ ◈ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন আজ! ◈ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ ট্রাস্টি কারাগারে ◈ পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে চাই: জেলেনস্কি ◈ শ্রমিকেরা কেন বকেয়া মজুরি পাবেন না ◈ টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, মোসাদ্দেকের ফেরা ◈ রাবিতে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা শুরু ২৫ জুলাই ◈ দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হোক ◈ পুলিশের কাজে বাধা: ছাত্রদলের দুই নেতার জামিন মেলেনি! ◈ মাছ চাষে সাফল্য, বদলে গেছে পুরো গ্রাম ◈ পাকিস্তানের সাবেক মন্ত্রীকে মারধরের পর গ্রেপ্তারের অভিযোগ ◈ নিবার্চনী প্রচারণায় অংশ না নিতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের নির্দেশ ◈ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলেই গ্রেফতার করা যাবে না: আইনমন্ত্রী ◈ চকরিয়ায় যুগ্ম সচিবের গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত ◈ একদিনের ব্যবধানে জাল স্ট্যাম্প বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার আরও চার
হোম / লাইফস্টাইল / বিস্তারিত

For Advertisement

একজন তরুণ নারী উদ্যোক্তার পথচলা!

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ৪:৫৫:২৩

মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। স্বপ্ন ছিলো আইনজীবী হওয়ার কিন্ত বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বপ্নটাও পাল্টে গেল তার। এরপর স্বপ্ন দেখেন নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার। মনের মধ্যে সে স্বপ্ন বুনেই একটু একটু করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন তরুণ উদ্যোক্তা।মাত্র কুড়িতেই প্রতিষ্ঠা করেন অনলাইন ফ্যাশন ব্র্যান্ড হাউজ ‘Fair of Princess’, যেখানে তিনি নিজে পোশাক ডিজাইন করেন।

তার এ উদ্যোগ থেকেই অল্প সময়ে বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছেন।তিনি স্বপ্ন দেখেন নিজেকে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার। সোহা বিলাল (সুগন্ধা) বলেন, ‘২০১৮ সালের শেষ দিকে এসে নিজে মনস্থির করি যে, উদ্যোক্তা হবো, ব্যবসা শুরু করবো। যেই ভাবা সেই কাজ। আমি খুবই আত্মনির্ভরশীল একটা মেয়ে যার কারণে পরিবারের কোনো সাপোর্ট ছাড়াই নিজের একটা আলাদা পরিচিতি তৈরি করতে চেয়েছি। এর জন্য পড়াশুনা সামলিয়ে আমাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে প্রোডাক্টিভ কিছু করার, এখনও করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্টুডেন্ট লাইফে এতসব কিছু করা আসলেই অনেক কষ্টকর, তারপরও করেছি। আমার ব্র্যান্ডের জন্য পোশাকের ডিজাইন আমি নিজে করি। সবসময় চেষ্টা থাকে নতুনত্ব রাখার এবং ইউনিক কিছু করার। এগুলোর পাশাপাশি ভিডিও করতে এবং ব্লগ করতে খুব পছন্দ করি আমি। সময় পেলেই ব্লগ করার চেষ্টা করি।’এরমধ্যে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের অনেক প্রস্তাবও পেয়েছেন তিনি। কিন্তু সেসবের দিকে মন নেই তার, তার স্বপ্ন এখন তার ব্র্যান্ডকে ঘিরে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। নিয়ত সৎ থাকলে সৃষ্টিকর্তা তাকে সফলতার পথ দেখাবেন। ভবিষ্যতে আমার ব্র্যান্ডটি নিয়ে অনেকদূর এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের সব জায়গায় আমার আউটলেট ছড়িয়ে দিতে চাই, সেই লক্ষ্যেই এখন কাজ করে যাচ্ছি ।’

প্রশ্ন ছিল আইনের ছাত্র হয়েও কেন ফ্যাশন ডিজাইনার পেশায় আসলেন?

মৃদু হেসে জানালেন- আগে থেকেই নিজের পোশাক আশাকের ব্যাপারে পরিপাটি ও সচেতন ছিলাম। মূলত পোশাকের এই সচেতনতা ও আধুনিকতার মেলবন্ধন হচ্ছে মূলত ফ্যাশন ডিজাইনিং। অ্যাক্যাডেমিক্যালি ফ্যাশন ডিজাইনিং না পরলেও নিজের ব্যক্তিত্ব ও রুচি কে পোশাকের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলাটাও এক ধরনের শিল্প।ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এলএল.বি অনার্স কমপ্লিট করতে না করতেই নিজের ভেতরে এক ধরনের তাগিদ থেকে রুচিশীল ও সম্মানজনক পেশায় নিজেকে দেখতে গিয়েই ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের পেশায় নিজেকে জড়িয়ে ফেললাম।

প্রশ্ন ছিল -উদ্যোক্তা হবার ক্ষেত্রে কি ধরনের গুণ থাকা আবশ্যক?

দেখুন , যে কোনো পরিস্থিতির মোকাবিলায় আপনার ইতিবাচক মনোভাব অনেক বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। বিশেষ করে আপনি যদি একজন উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন। নিঃসন্দেহে এ যাত্রায় আপনাকে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ছাত্রসুলভ মনোভাব, খোলা মন ও বহুমুখী মানসিকতা বজায় রাখতে হবে। যাত্রাপথে অসংখ্য ভুল ও ব্যর্থতা আসবে। কিন্তু অহংকার এড়িয়ে চলতে হবে এবং একই ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন বারবার না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

এই পেশায় চ্যালেঞ্জ গুলো কি কি?

জানালেন- ব্যবসা করতে গেলে নানা রকম চ্যালেঞ্জ আসবেই। কাঁচামালের সরবরাহ নিশ্চিত করা, নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী খুঁজে পাওয়া, পেমেন্ট গ্রহণ করা, ভালো একটি ডেলিভারি অংশীদার খুঁজে পাওয়া, বিভিন্ন ধরনের মানুষের সঙ্গে কাজ করা (বিশেষ করে প্রচুর ‘অভদ্র’ মানুষ তো আছেই), বিপণন করা, কখনো হাল ছেড়ে না দেওয়া, নতুন পণ্য ও সেবা চালু করার জন্য উদ্ভাবনী ক্ষমতার ব্যবহার এবং বিভিন্ন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া; এসবই উদ্যোক্তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ।

নারী হিসেবে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার কি একটা বাড়তি চ্যালেঞ্জ?

নিঃসন্দেহে…এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে আমাদের দেশে একজন স্বাধীন নারী হিসেবে সফল হওয়া অনেক কঠিন একটি ব্যাপার। মেয়েদের জন্য পরিবেশ পরিস্থিতি কখনোই পুরোপুরি অনুকূল থাকে না।একজন নারী উদ্যোক্তার ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। তিনি সতর্ক করেন, এতে নারী উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ‘এ থেকে উত্তরণের সেরা উপায় হচ্ছে এমন কিছু মানুষের সমর্থন জোগাড় করা, যারা আপনার সক্ষমতা সম্পর্কে জানেন এবং যারা আপনার সক্ষমতা সম্পর্কে আপনাকে সন্দিহান হতে দেবেন না।’

For Advertisement

পূর্বাকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: