হেডলাইন
◈ একদিনে হাসপাতালে রেকর্ড ৪৩৮ ডেঙ্গু রোগী! ◈ আমার গ্রাম-আমার শহর’ বাস্তবায়নে ২৪৫ প্রকল্প ◈ সীমান্তের ঘটনায় আরাকান আর্মি-আরসার ওপর দায় চাপালো মিয়ানমার! ◈ ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে স্থায়ী নির্দেশনা চেয়ে রিট! ◈ সাংবাদিক শাকিল হাসানকে হত্যাচেষ্টার মামলায় রায় ১৮ অক্টোবর! ◈ যুবলীগের সম্পাদক নিখিলসহ ৫০০ জনের বিরুদ্ধে বিএনপির মামলার আবেদন! ◈ শহীদ আফ্রিদির সংস্থায় সেই ব্যাট দিলেন নাসিম শাহ ◈ হঠাৎ মোদি ও এরদোগানের বৈঠক ◈ সাগরে আবারও লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টি ◈ নতুন রুপে আবার অভিনয়ে নিয়মিত রত্না ◈ ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন টাইগার অলরাউন্ডার ◈ জাতীয় পার্টি কোনো জোটে নেই: জিএম কাদের ◈ রানির শোভাযাত্রায় ডায়ানার যে স্মৃতি মনে দাগ কেটেছে প্রিন্স উইলিয়ামের ◈ মৃত্যুর পরে কি হয় তাদের লাশ || ◈ শান্তর ভূয়সী প্রশংসায় যা বললেন শ্রীরাম ◈ রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে অঙ্গীকার করলেন জেলেনস্কি ◈ বিএনপি নেতা শাহ মোয়াজ্জেম আর নেই ◈ ফের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সাকিব ◈ রাশিয়া প্রথমবারের মতো ইরানের ড্রোন ব্যবহার করেছে ◈ ভারত সফরে বাংলাদেশ কী পেল, যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

For Advertisement

ঘুরে এলাম সুলতান সুলেমানের দেশ!

৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১০:৫১:১৫

সুলতান সুলেমান’ টিভি সিরিয়ালের কারণে তুরস্কের বিভিন্ন শহর আমাদের কাছে এখন বেশ চেনা চেনাই লাগে। বিশেষ করে ইস্তাম্বুল।ইস্তাম্বুলে ঘুরে দেখা যাবে বিখ্যাত ব্লু মসজিদ, হাজিয়া সোফিয়া, ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শত শত পর্যটক খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছেন এসব স্থাপনা। প্রতিটি মসজিদ আলাদা গম্বুজশৈলীর কারণে বিখ্যাত। রাতের বেলা আলোর খেলা এসব মসজিদের চারদিকে। তোপকাপি প্রাসাদের কথা আলাদাভাবে বলতে হয়। রাজকীয় এই প্রাসাদ ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক এলাকার অন্তর্ভুক্ত, যা ১৯৮৫ সালে ইউনেসকো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষিত হয়েছে।

সুলতান সুলেমানের রাজত্বের কেন্দ্রস্থল এই প্রাসাদ ঐতিহাসিকভাবে বিখ্যাত। এখানে রয়েছে ১৪০০ সালের বিখ্যাত কাপালি কারশি বাজার। বাজারে ঢুকতেই ছোট্ট একটি দোকানে সুলতান সুলেমান আর হুররাম সুলতানের পোশাকের মতো পোশাক পরে ছবি তোলার আয়োজন। খানদানি পোশাক, আংটি, তরবারি নিয়ে কিছু ছবি তুললাম আমরা। পোশাক পরে ছবি তুলতে বাংলাদেশের টাকায় সাড়ে ৪ হাজার টাকা লাগে এখানে।

পরের গন্তব্য বসফরাস প্রণালি। এর একদিকে এশিয়া, অন্যদিকে ইউরোপ। দুই দিনে ইস্তাম্বুল ঘুরে দেখা শেষ। এখন আমাদের গন্তব্য প্রিন্সেস আইল্যান্ড। জাহাজের টিকিট করে ছাদে উঠলাম আমরা। কী অদ্ভুত নীল পানি। জাহাজ থেকে দেখা যায় ইস্তাম্বুল শহর। জাহাজের ছাদে খাবার ছিটিয়ে দিচ্ছেন পর্যটকেরা। শত শত পাখি হাত থেকে খাবার ছোঁ মেরে নিয়ে যাচ্ছে। সে এক দারুণ দৃশ্য। দুই ঘণ্টার পথ পেরিয়ে আমরা এলাম কাঙ্ক্ষিত দ্বীপে। এই দ্বীপের প্রতিটি বাড়ি যেন একেকটা রাজপ্রাসাদ। বাড়ির সামনে বড় উঠান। গাছে আঙুর ধরে আছে।তুরস্কের আরেক শহর আন্তালিয়া। অনেকে একে আনাতলিয়াও বলে। এখানে দেখার মতো দুটো ঝরনা আছে। কুরসুনলু আর দুদেন ঝরনা। দুটোই একই পথে। দুদেন ঝরনাটা সবচেয়ে বড়। পানি পড়ার শব্দ যেমন পাওয়া গেল তেমনি পানি বয়ে যাওয়ার কলকল শব্দও কানে আসবে। আনাতলিয়ার পুরোনো শহরে রাতে না গেলে বোঝাই যেত না কত সুন্দর আয়োজন। এখানে পুরোনো ভবন আছে কয়েকটি। সেগুলোয় আলোর উপস্থাপনা সত্যিই দেখার মতো। এই শহরের চারদিকে নীল পাহাড়। রাস্তার পাশে বড় বড় কমলা, বেদানা, মাল্টা আর টমেটোর খেত। রাস্তার পাশে গাছে গাছে থোকায় থোকায় ধরে আছে ফল। দেখতে ভালোই লাগছে।

এখানকার ভূমধ্যসাগরের নীল পানি দেখে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। রাশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি পর্যটক আসে এখানকার সমুদ্রসৈকতে। বড় বড় হোটেলের রয়েছে নিজস্ব সৈকত। আনাতলিয়ার জাদুঘর অনেক সমৃদ্ধ। ভাস্কর্যগুলো এতটাই নিখুঁত যে মনে হবে জীবন্ত মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। স্থাপনাও চমৎকার। তুরস্কের অন্যতম বড় এই জাদুঘরের বিশেষত্বই এখানে। এখানে প্রবেশের পর ছবি তোলা হলো বেশ কিছু। তবে ক্যামেরার ফ্লাশলাইট ব্যবহার করা যায় না।জাদুঘর থেকে বেরিয়ে কিছুদূর গেলেই পাহাড় থেকে দেখা যায় নিচের নীল সমুদ্রসৈকত। সেখানে পাহাড়ের ওপর ছোট ছোট খাবারের দোকান। এমনি একটি পাহাড় থেকে দেখা যায় গভীর এক খাদ। খাদের দিকে একবার তাকিয়েই চোখ ফেরাই দিগন্তরেখায়।

বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের কেন্দ্রবিন্দু হওয়াতে তুরস্ক হয়ে উঠেছে বৈচিত্র্যময় একটি দেশ। ইউরোপ ও এশিয়ার মিলনস্থল হওয়াতে দুই মহাদেশের সংস্কৃতির প্রভাব সমান ভাবে লক্ষ্য করা যায় তুরস্কের সংস্কৃতিতে। যার ফলশ্রুতিতে তুরস্কের রন্ধন শৈলী, ধর্মীয় স্থাপনা, প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান গুলোর মধ্যে রয়েছে চোখে পড়ার মত বৈচিত্র্য।

অতীতের বাইজেন্টাইন এবং অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী হওয়ায় ইস্তাম্বুল সবসময়ই পর্যটকদের তালিকায় জায়গা করে নেয়। তবে তুরস্ক দেখার জায়গা রয়েছে অনেক। যেমন-

আঙ্কারা

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা খুব আধুনিক একটি শহর। এই শহরেই রয়েছে অধিকাংশ সরকারি ভবন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিদেশী দূতাবাস। দেশের ঠিক কেন্দ্রেই আনাতোলিয়া অঞ্চলে আঙ্কারা শহরের অবস্থান। দেশের কেন্দ্রে অবস্থিত ও রাজধানী হওয়ায় তুরস্কের অন্য যে কোন স্থানে যাওয়ার সহজ উপায় পাওয়া যাবে এই শহর থেকেই। অ্যানাটোলিয়ান সভ্যতার জাদুঘর সহ আরও অনেক দর্শনীয় জাদুঘর রয়েছে এই শহরে। যেখানে আপনি খুঁজে পাবেন শিল্প ও সংস্কৃতির বিশাল ভাণ্ডার।

মারডিন

তুরস্কের মারডিন প্রদেশের রাজধানী হচ্ছে মারডিন। দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কের মেসোপটেমিয়া সমভূমিকে ছাড়িয়ে পাহাড়ের চূড়ায় এর অবস্থান। এই অঞ্চলের প্রাচীনতম বসতির একটি মারডিন। পাহাড়ের গায়ে লেপটে থাকা বেলেপাথরে তৈরি ভবনের পুরনো শহর ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের জন্য সুপরিচিত এই অঞ্চল। পায়ে হেঁটেই আপনি এই শহর ঘুরে দেখতে পারবেন। আঁকাবাঁকা ধাঁধাময় রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে আপনার চোখে পড়বে ঝুলন্ত বারান্দা ওয়ালা পুরনো বাড়িঘর। পুরনো এসব বাড়ির আশেপাশে ঘুরতে ঘুরতেই আপনার চোখে পড়বে দেইরুজ জাফারান নামের পৃথিবীর অন্যতম পুরনো আশ্রম এবং সুলতান ইশা মেডেসেসি নামের মধ্যযুগীয় স্থাপনা। যা এক সময় ব্যবহার হত জ্যোতির্বিদ্যা পর্যবেক্ষণাগার হিসেবে।

কনিয়া

বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলোর মধ্যে কনিয়া একটি। অসাধারণ সেলজুক স্থাপত্য ও ঘূর্ণায়মান সুফি দরবেশদের জন্য এই শহর সুপরিচিত। তুরস্কের মধ্য আনাতোলিয়া অঞ্চলের বড় একটি শহর কনিয়া। দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ শতকে সেলজুক রাজবংশের শাসনামলে রাজধানী শহর হিসাবে স্বীকৃতি পায় কনিয়া। সেই সময়ে স্থাপিত আলাউদ্দীন মসজিদ ও সেলজুক প্যালেস এখনো প্রশংসার দাবি রাখে। ফার্সি ধর্মতত্ত্ববিদ ও সুফি ব্যক্তিত্ব রুমির দরগা কনিয়ার একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান। রুমির অনুসারীরাই মেভলেভি অর্ডারের উদ্ভাবক। যেটিকে আমরা ঘূর্ণায়মান দরবেশ হিসেবেই ভাল চিনি। এই অনুসারীরা তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পা অব্দি সাদা রঙের গাউন পড়ে বাঁ পায়ে ভর করে ঘুরতে থাকে।

আন্তালিয়া

অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, বার এবং রেস্টুরেন্টে সাজানো বিশাল এক শহর আন্টালিয়া। ভূমধ্য সাগরের উপকূলে এই শহরের অবস্থান। শহরটির একদিকের সীমানা জুড়েই দর্শনীয় সমুদ্র সৈকত আর সবুজ পাহাড়। এর ভেতরে ভেতরে প্রাচীন স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ। সাঁতার কাটা, নৌকা চালানো, পর্বত আরোহন এসব কিছুই পাবেন আন্টালিয়াতে। দেখার মত স্থাপনার তালিকায় আছে কালেইচি, ওল্ড কোয়ার্টার, পুরানো শহরের দেয়াল, রোমান গেট, ধাঁধাময় প্রাচীন রাস্তা ও ক্লক টাওয়ার।

মারামারিস

তুরস্কের সবচেয়ে জনপ্রিয় সমুদ্র তীরবর্তী রিসোর্ট গুলোর একটি মারমারিস। পাইন গাছে ঢাকা পাহাড়, সাদা বালির সৈকত, ফিরোজা নীল রঙের সমুদ্র এবং ঐতিহাসিক স্থাপত্য সব মিলিয়ে হয়তো সবচেয়ে সুন্দর রিসোর্ট এটি। দক্ষিণ পশ্চিম তুরস্কের টার্কিশ রিভিয়েরার সাথেই এর অবস্থান। ওয়াটার স্পোর্টস, রোমাঞ্চকর কারসাজি, চমৎকার খাবারের আয়োজন ও জাঁকজমকপূর্ণ রাতের পরিবেশের জন্য পর্যটকেদের কাছে মারমারিসের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। এখানে আপনি পাবেন নৌকা ভ্রমণের আয়োজন। যাতে করে ঘুরে দেখতে পারবেন অসম্ভব সুন্দর এই উপসাগরীয় অঞ্চল ও পার্শ্ববর্তী গ্রামাঞ্চল। এতেও যদি আপনার মন না ভরে তবে দিনে দিনেই আপনি ঘুরে আসতে পারবেন ডালিয়ান, ইফেসাস, পামুকেলে ও ক্লিওপেট্রা দ্বীপ।

সাইড

প্রাচীন পামফিলিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর যা খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট এর অধীনে ছিল। সাইড বর্তমানে প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ ও আধুনিক রিসর্ট সম্বলিত একটি দৃষ্টিনন্দন শহর। ছোট একটি উপদ্বীপে অবস্থিত সাইডে আপনি পাবেন অসম্ভব সুন্দর প্রকৃতি, খাবার আয়োজন ও রাতের জাঁকজমক। এই শহরের মূল আকর্ষণ হল মাটি খুড়ে আবিষ্কৃত প্রাচীন হেলেনীয় এবং রোমান প্রকাণ্ড অ্যামপিথিয়েটার ও বিভিন্ন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ। সরু রাস্তা এবং আকর্ষণীয় বাগানে সাজানো শহর সাইড জুড়েই আপনি পাবেন নামকরা পিজার দোকান ও বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের খাবারের জন্য বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ।

বোড্রম

প্রাচীন বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি হচ্ছে মোসোলেয়াম। যা অবস্থিত ছিল তুরস্কের দক্ষিণ এজিয়ান অঞ্চল এই বোড্রম-এ। বর্তমানে প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ, সমুদ্র সৈকত ও পাহাড়ের চুড়ায় রেস্তোরাঁর জন্য বোড্রম বিখ্যাত। সেন্ট পিটারের দুর্গ না দেখলে আপনার বোড্রম ভ্রমণই বৃথা যাবে। যা বোড্রম ক্যাসেল নামেও পরিচিত। ১৪০২ খ্রিস্টাব্দে নাইট হসপিটালার এটি নির্মাণ করেন। যা বর্তমানে জাদুঘর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। বোড্রমের পূর্ব দিকে রয়েছে তুরস্কের বিখ্যাত নীল পানির সমুদ্র সৈকত। সৈকতের কাছেই পাবেন ক্যাফে, বার ও নাইটক্লাব। আর পশ্চিম দিকে পাবেন মারিনা, শপিং সেন্টার এবং রেস্টুরেন্ট।

এফেসাস

এফেসাস শহরটাও তুরস্কের এজিয়ান অঞ্চলেই অবস্থিত। সম্ভবত এটি ইউরোপের সবচেয়ে পরিপূর্ণ ক্লাসিক্যাল মহানগরী। খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে রোমান সাম্রাজ্যের বৃহত্তর শহর গুলোর একটি ছিল এফেসাস। প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি, আর্টেমিসের মন্দির এখানেই অবিস্থিত ছিল। এফেসাসের ধ্বংসাবশেষ একটি বিশাল প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট হিসেবে খুব ভাল ভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ কারণেই এফেসাস তুরস্কের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ। আকর্ষণ গুলোর মধ্যে রয়েছে প্রকাণ্ড থিয়েটার, হাদ্রিয়ান মন্দির, দ্বিতল বিশিষ্ট বিশাল সেলসাস গ্রন্থাগার।

ক্যাপাডোসিয়া

কেন্দ্রীয় আনাতোলিয়ায় অবস্থিত ক্যাপাডোসিয়া সুপরিচিত হয়েছে এর অস্বাভাবিক আকৃতির পাহাড়ের সমন্বয়ে গঠিত রূপকথার রাজ্যের মত সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য। প্রাচীন আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত বেয়ে পড়া ও প্রাকৃতিক ভূমি ক্ষয় থেকে কালে কালে এই অঞ্চলের পাহাড় গুলো এমন উদ্ভট আকৃতি ধারণ করেছে। এর পরে হাজার বছর আগে মানুষ এই পাহাড় গুলোর বুকে খুড়ে খুড়ে বসত বাড়ি, মন্দির ও ভূগর্ভস্থ শহর তৈরি করে। হিটাইটস-রা সর্বপ্রথম পারস্য ও গ্রীক আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ধাঁধা খনন করে। এর অনেক পরে খ্রীষ্টধর্মাবলম্বীরা ক্যাপাডোসিয়ার এসব সুড়ঙ্গপথ ও গুহায় আশ্রয় নেয়। বর্তমানে এসব গুহার মধ্যেই নির্মিত হয়েছে হোটেল ও রেস্তোরাঁ।

ইস্তাম্বুল

একসময় অটোমান এবং বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল এই ইস্তাম্বুল। পৃথিবীর বৃহত্তর শহর গুলোর মধ্যে অন্যতম ইস্তাম্বুল তুরস্কের সবচেয়ে বড় শহর। সংকীর্ণ প্রণালির মধ্যে অবস্থিত ইস্তাম্বুল শহরটাই পৃথিবীর একমাত্র শহর যেটি এশিয়া ও ইউরোপের প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করছে। চিত্তাকর্ষক স্থাপত্য, ঐতিহাসিক সাইট, খাবার, শপিং, রাতের আয়োজন ও চমৎকার আবহাওয়ার কারণে ইস্তাম্বুলকে তুরস্কের সর্বোৎকৃষ্ট বেড়ানোর স্থান বলা যায়। পুরনো শহরেই আপনি খুঁজে পাবেন সব দর্শনীয় ঐতিহাসিক স্থান গুলো। যার মধ্যে রয়েছে হাইয়া সোফিয়া, নীল মসজিদ ও টপকাপি প্যালেস।

 

লেখক ও মডেল- মাসুদুর রহমান।

For Advertisement

পূর্বাকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: