ADS
হেডলাইন
◈ এসকে সিনহাসহ ১১ জনের মামলার রায় কাল! ◈ আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ◈ বেগমগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিক্ষোভ মিছিল, ফেনীতে সংঘর্ষ! ◈ সরকার কোন দুঃখে এসব করতে যাবে: ওবায়দুল কাদের ◈ ব্রিটিশ এমপি হত্যা: ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন জনসন ◈ দেশ বিক্রি করে তো ক্ষমতায় আসবো না: প্রধানমন্ত্রী ◈ দুর্গাপূজা: ইতিহাস ও শিক্ষা ◈ নির্বাচন কমিশন: সার্চ কমিটি বিশ্বস্ত হতে হবে আগে! ◈ খালেদার সুস্থতা কামনায় দেশব্যাপী দোয়া কর্মসূচি ◈ বিএনপি কখনো সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দেয় না: ফখরুল ◈ আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি: ডিএমপি কমিশনার ◈ কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ◈ খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দেশে সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল ◈ ডেঙ্গুজ্বর নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ২১১, মৃত্যু ২! ◈ অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধ ঠেকাতে হাইকোর্টে দুই আবেদন! ◈ বাবরের অবৈধ সম্পদ অর্জন মামলার রায় আজ! ◈ আজ মহাসপ্তমী! ◈ ঋণখেলাপি কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ! ◈ হালের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় একজন – ফারজানা রিক্তা! ◈ কাজল কালো চোখটি তোমার!

For Advertisement

দুঃখ কষ্টে মুখে হাসি -বেসরকারি চাকরিজীবী!

১ জুলাই ২০২১, ১০:৪১:৩৯

মানুষকে জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে কাজ করতে হয়। কেউ সরকারি চাকরি করে, কেউ বেসরকারি। সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা খুব কম, বেশিরভাগই বেসরকারি। কিন্তু সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীর সুযোগ-সুবিধার পার্থক্য আকাশ-পাতাল।

বেসরকারি চাকরিজীবীরা অনেক ক্ষেত্রেই অবহেলিত ও বঞ্চিত। অন্যদিকে দফায় দফায় বেড়েছে সরকারি চাকরিজীবীদের সুবিধা। কিছু সুবিধার কথা তুলে ধরছি। গত নয় বছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বেড়েছে ৩৫০ শতাংশ।২০০৯ সালে সরকারি চাকরির ন্যূনতম বেতন ছিল বেসিক ২৪০০ টাকা। বর্তমানে তা হয়েছে ৮২০০ টাকা। আগে সরকারি সাপ্তাহিক ছুটি ছিল একদিন। এখন তা দুই দিন।

গাড়ি কেনার জন্য আগে বরাদ্দ থাকত না। এখন বরাদ্দ রয়েছে ৩০ লাখ টাকা। বাড়ি কেনার জন্য আগে ঋণের ব্যবস্থা ছিল না। এখন রয়েছে ৭৫ লাখ টাকা। পেনশন আগে ছিল ৮০ পার্সেন্ট। এখন ৯০ পার্সেন্ট। আগে বৈশাখী ভাতা ছিল না। এখন রয়েছে মূল বেতনের ২০ শতাংশ। আগে সামান্যই পদোন্নতি হতো। এখন ব্যাপকভাবে হচ্ছে।

মোবাইল কেনার জন্য ২০০৯ সালে বরাদ্দ ছিল ১৫,০০০ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৭৫,০০০ টাকা (১ম গ্রেডের জন্য)। এছাড়া এখন সরকারি কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করতে সরকারের অনুমতির দরকার হয়, আগে যা লাগত না। আরও অনেক সুবিধা বাড়ানোর কাজ চলমান আছে।অন্যদিকে যারা বেসরকারি চাকরি করছেন, তাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায়। যুগোপযোগী সুবিধা তো দূরের কথা, অধিকাংশ কোম্পানিতে এইচআর নীতিমালা নেই। যে যেমন ইচ্ছা বেতন দেয়,অল্পকিছু কোম্পানি যার ৯০ ভাগই বিদেশি,তারা তাদের কর্মচারীদের এ ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়। তাদের সুবিধা-অসুবিধা দেখে। দেশি এফএমসিজি ও গার্মেন্টস টেক্সটাইল কোম্পানিগুলোতে যাচ্ছেতাই অবস্থা। ঈদ ছাড়া বন্ধ নেই। ছুটিতে তাদের এলার্জি- সারা বছর কাজ।

মানুষ নয়, তাদের কাছে সেলসের লোককে মেশিন মনে হয়। অনেক কোম্পানিতেই বেতন নিয়মিত নয়। প্রভিডেন্ট ফান্ড নেই, বীমা সুবিধা নেই। যখন-তখন চাকরি চলে যায়, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয় না।এসব দেখার যেন কেউ নেই। স্যুট-টাই পরা ভদ্রলোক দেখে মনে হয় কতই না সুখী; কিন্তু বেসরকারি এই চাকরিজীবীদের মনে কত যে দুঃখ, কত যে না পাওয়ার কষ্ট, তার খবর আমরা কেউ জানি না। তাদের বেতন থেকে সরকার ট্যাক্স কেটে রাখে। অথচ তাদের কথা ভাবা হয় না।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং বিভাগে কর্মরত মাসুদুর রহমান নামীয় এক কর্মকর্তা জানান- বেসরকারি চাকরিজীবীরা রেভেনিউ জেনারেট করে, তবে সুবিধা ভোগ করে অন্যরা। সরকারের কাছে আবেদন, একটা বোর্ড গঠন করা হোক। তারা কোম্পানিগুলো ভিজিট করুক। কর্মকর্তাদের ন্যায্য সুবিধা-অসুবিধা দেখুক। সরকার তো সবার।'

সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা যায় -করোনাকালীন সময়ে বিনা নোটিশে চাকরি হারিয়েছেন অনেক কর্মচারী কর্মকর্তা। ফলে এই দুঃসময়ে  বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তার কর্মচারীদের দুঃসময়ে পাশে না দাঁড়িয়ে সেখানে উল্টো চাপে রেখেছে। বেসরকারী উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত  আমির হোসেন  জানান- ২৩ বছর যাবত এক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি । গত মাসেই ছাঁটাইয়ের নোটিশ পেয়েছি- আজ আমার লাস্ট অফিস! প্রতিষ্ঠান কঠিন ও দুঃসময়ে সৎ ও নিষ্ঠার সাথে প্রতিষ্ঠানে কাজ করে আজ পেলাম তার প্রতিদান।'

বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারী নীতিমালা না থাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো  তাদের একক ইচ্ছায় প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করতে চায়। যে কারণে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধার ব্যাপারে তারা থাকে উদাসীন।  ্ এছাড়াও বাংলাদেশের প্রচলিত শ্রম আইন অনুসারে যে সকল সুযোগ-সুবিধা শ্রমিক-কর্মচারীরা প্রাপ্য তা থেকে তাদেরকে সবসময় বঞ্চিতই করা হয়।সারাদেশে হাতেগোনা কয়েকটি মাল্টি ন্যাশনাল প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায় সঙ্গত প্রত্যাশা পূরণ করে থাকে।

এছাড়াও আজ থেকে সরকার ঘোষিত প্রজ্ঞাপনে সারাদেশে কঠোর লকডাউন সহ সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিলেও শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠান সমূহ তাদের নিজ নিজ সময় ও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে শ্রমিক-কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বললেও অনেকাংশে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গুলো তা মানছে না! এতে আরও ভোগান্তিতে পড়েছে বেসরকারি শিল্প ও উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান কর্মকর্তা-কর্মচারী!

For Advertisement

পূর্বাকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: