ADS
হেডলাইন
◈ দারিদ্র্যের কষাঘাতে বিপর্যস্ত বিজিবি সদস্যের আত্মহত্যা! ◈ বিশ্ব জাতিসংঘ দিবস আজ! ◈ এসকে সিনহাসহ ১১ জনের মামলার রায় কাল! ◈ আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ◈ বেগমগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিক্ষোভ মিছিল, ফেনীতে সংঘর্ষ! ◈ সরকার কোন দুঃখে এসব করতে যাবে: ওবায়দুল কাদের ◈ ব্রিটিশ এমপি হত্যা: ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন জনসন ◈ দেশ বিক্রি করে তো ক্ষমতায় আসবো না: প্রধানমন্ত্রী ◈ দুর্গাপূজা: ইতিহাস ও শিক্ষা ◈ নির্বাচন কমিশন: সার্চ কমিটি বিশ্বস্ত হতে হবে আগে! ◈ খালেদার সুস্থতা কামনায় দেশব্যাপী দোয়া কর্মসূচি ◈ বিএনপি কখনো সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দেয় না: ফখরুল ◈ আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি: ডিএমপি কমিশনার ◈ কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ◈ খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দেশে সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল ◈ ডেঙ্গুজ্বর নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ২১১, মৃত্যু ২! ◈ অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধ ঠেকাতে হাইকোর্টে দুই আবেদন! ◈ বাবরের অবৈধ সম্পদ অর্জন মামলার রায় আজ! ◈ আজ মহাসপ্তমী! ◈ ঋণখেলাপি কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ!

For Advertisement

মামুনুলের নির্দেশে মুসল্লিদের ওপর হামলা, অভিযোগ মামলায়

৬ এপ্রিল ২০২১, ১১:৩৭:৪৯

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের প্রত্যক্ষ নির্দেশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সাধারণ মুসল্লিদের উপর হামলা করে।

এছাড়াও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠিত কর্মসূচি বানচাল করতে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করে মামুনুল হক।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে (২৬ মার্চ) বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে। মামুনুল হককে এক নম্বর ও হুকুমের আসামি করা হয়েছে।

সোমবার (৫ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উপ-দফতর সম্পাদক খন্দকার আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে এসব বিষয় উল্লেখ করা হয়।

এই ঘটনার পেছনে হেফাজতের সঙ্গে জামায়াত-শিবির-বিএনপি জঙ্গি কর্মীদের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এজাহারে হেফাজত ছাড়া অন্য কোনো দলের কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে মামুনুল হকের নির্দেশে ১৭ হেফাজত নেতার নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিচ, হাতুড়ি, তলোয়ার, লাঠিসোটাসহ অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ হামলায় মামলার বাদী আরিফ উজ জামান গুরুতর আহত হন।

এ সময় তারা জমায়েত থেকে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী নানা স্লোগান দিতে থাকে। হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের প্রত্যক্ষ নির্দেশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিজ, হাতুড়ি, তলোয়ার, বাশ, গজারি, সাবল, পাইপ ও রিভলবারসহ অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত হয়ে অতর্কিতভাবে সাধারণ মুসল্লিদের ওপর হামলা করে।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের টাইলস ভেঙ্গে ফেলে, বিভিন্ন হাদিস, কোরআন শরিফসহ ধর্মীয় পুস্তকে অগ্নিসংযোগ করে ইসলামের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে।

এছাড়া মামুনুল হকসহ অন্যনা আসামিদের পূর্ব পরিকল্পনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুর করে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ অফিস ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করে।

মামলার এজাহারে মামুনুল হককে দণ্ডবিধি ১৪৭ ধারায় দাঙ্গা সৃষ্টি করার নির্দেশদাতা বা হুকুমদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তার দুই বছরের জেল হতে পারে।

এছাড়া মামলায় তার বিরুদ্ধে ১৪৮ ধারায় দাঙ্গায় অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ, ১৪৯ ধারায় অপরাধের জন্য সমাবেশ করার নির্দেশ, ৩২৫ ধারায় ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করার নির্দেশ, ৩২৬ ধারায় অস্ত্রের মাধ্যমে আঘাত, অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যাচেষ্টার নির্দেশ, ৪২৭ ধারায় আর্থিক ক্ষতিসাধনের হুকুম দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক আইন যুক্ত করা হয়েছে। এই আইনে বলা হয়েছে, কেউ যদি বিস্ফোরণ দ্রব্যের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে গুরুতর আহত বা কোনো সম্পদ বিনষ্ট করে তাহলে তিনি সর্বনিম্ন ৫ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবেন।

মামলায় বাকি আসামিরা হলেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা লোকমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব নাসির উদ্দিন মনির, নায়েবে আমির মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাখজান মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী।

এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া নায়েবে আমির মাজেদুর রহমান, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়্যুবী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জসিম উদ্দিন, টঙ্গীর সহ-সাংগঠনিক মাওলানা মাসুদুল করিম, অর্থ সম্পাদক মুফতি মনির হোসাইন কাশেমী, প্রচার সম্পাদক মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়েজী, মাওলানা ফয়সাল আহমেদ, সহকারী দাওয়া সম্পাদক মাওলানা মুশতাকুন্নবী, ছাত্র ও যুব সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মো. জোবায়ের ও দফতর সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মো. তৈয়ব।

For Advertisement

পূর্বাকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: